শিক্ষণীয় স্ট্যাটাস বাংলা ইসলামিক/Educational Status Bangla Islamic,ধর্মের শুরু থেকেই ইসলামে শিক্ষা একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে , কারণ ধর্মগ্রন্থের কেন্দ্রীয়তা এবং ইসলামী ঐতিহ্যে এর অধ্যয়নের আংশিক কারণে। আধুনিক যুগের আগে, আরবি এবং কুরআন অধ্যয়নের মাধ্যমে অল্প বয়সে শিক্ষা শুরু হত । ইসলামের প্রথম কয়েক শতাব্দীর জন্য, শিক্ষাগত ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে অনানুষ্ঠানিক ছিল, কিন্তু 11 ম এবং 12 শতকের শুরুতে, শাসক অভিজাতরা ওলামাদের সমর্থন ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য মাদ্রাসা নামে পরিচিত উচ্চ ধর্মীয় শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলি প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করে (ধর্মীয় পণ্ডিত)।
হযরত উসমান (রাঃ) এর দানশীলতা
শিক্ষণীয় স্ট্যাটাস বাংলা ইসলামিক/Educational Status Bangla Islamic,হযরত উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) ছিলেন ইসলাম ধর্মের তৃতীয় খলিফা। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত ধনী ব্যক্তি, কিন্তু তার ধন-সম্পদ কখনোই তাকে আত্মকেন্দ্রিক করেনি। বরং, তিনি সবসময় দানশীলতা এবং মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন।
ইসলামিক ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বাণীইসলামিক ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বাণী
“মহানবী (সা:) এর ১০ টি হাদিস:
ইসলামিক বায়ো আরবি
পড়ালেখা নিয়ে সুন্দর ২০ টি উক্তি
পড়ালেখা নিয়ে ৪০টি সুন্দর স্ট্যাটাস
শিক্ষা নিয়ে উক্তি, শিক্ষা নিয়ে ৩০ বাণী
60 টি সেরা পড়ালেখা নিয়ে উক্তি
ঘটনা
একদিন, মদিনার শহরে পানি সরবরাহের জন্য একটি কূপ খনন করা হয়। তবে, কূপটি ছিল ব্যক্তিগত মালিকানাধীন এবং মালিক পানি বিক্রি করে লাভ অর্জন করত। মুসলমানদের জন্য এটি একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়াল, কারণ তারা উচ্চ মূল্যে পানি কিনতে বাধ্য হচ্ছিল।
হযরত উসমান (রাঃ) কূপের মালিকের কাছে যান এবং তাকে জানান যে, তিনি কূপটি কিনতে চান। মালিক তাকে একটি বড় অঙ্কের অর্থের প্রস্তাব দেয়। হযরত উসমান (রাঃ) তা গ্রহণ করেন এবং কূপটি কিনে নেন।
কিন্তু তিনি কূপটি মুসলমানদের জন্য মুক্ত করে দেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, “এখন থেকে এই কূপের পানি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবে সবাই।”
শিক্ষা
এই ঘটনা থেকে আমরা শিখি যে, সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি সেই, যে তার সম্পদকে মানবতার কল্যাণে ব্যবহার করতে জানে। হযরত উসমান (রাঃ) এর দানশীলতা এবং মানবতার প্রতি ভালোবাসা আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে, আমাদের সম্পদকে শুধুমাত্র নিজেদের জন্য ব্যবহার না করে, বরং সমাজের কল্যাণে ব্যয় করা উচিত।
এই গল্পটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সত্যিকারের সম্পদ সেই, যা আমরা অন্যের জন্য ব্যয় করি। ইসলাম আমাদেরকে দান ও সহায়তার গুরুত্ব শেখায় এবং তা আমাদের হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে।
শিক্ষণীয় ইসলামিক স্ট্যাটাস বাংলা ভাষায় উল্লেখ করা হলো:
১. “আল্লাহর সাহায্য সবসময় পেতে হলে, প্রথমে আমাদের উচিত তাঁর প্রতি আস্থা রাখা।”
২. “যারা ধৈর্য ধারণ করে, তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার আছে।” (সুরা আল-বাকারা ২:১৫৩)
৩. “প্রত্যেকটি দোয়া আল্লাহর কাছে পৌঁছে, এবং আল্লাহ কখনোই তাঁর বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না।”
৪. “সঠিক পথে চলা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য চেষ্টা করা, এটিই জীবনের মূল উদ্দেশ্য।”
৫. “মহান আল্লাহ আমাদেরকে পরীক্ষার মাধ্যমে পরীক্ষা করেন, ধৈর্য ধারণ করুন এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।”
আপনি এগুলোর মধ্যে থেকে যেকোনো একটি স্ট্যাটাস ব্যবহার করতে পারেন।
নবীকূল শিরোমণি সর্বশ্রেষ্ঠ মানব ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হতে বর্ণিত ২০টি হাদীস উপস্থাপন করা হল:
(১) রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ‘বিজ্ঞজনদের মাঝে গর্ব করার উদ্দেশ্যে, মূর্খদের সাথে তর্ক করার উদ্দেশ্যে, সভায় প্রশংসা কুড়ানোর জন্য, জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য, নেতৃত্ব লিপ্সুতার জন্য ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের উদ্দেশ্যে জ্ঞানের সন্ধান করো না। যদি জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে কারো উদ্দেশ্য এমন হয় তবে তার স্থান হবে জাহান্নাম’। [লি-আলীল আখবার, পৃ. ১৯৩]
(২) মহানবী (স.) বলেছেন: ‘তোমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টি হওনি, বরং তোমরা অবশিষ্ট থাকার জন্য সৃষ্টি হয়েছো। আর তোমরা [মৃত্যুর মাধ্যমে] এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হবে’। (বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৩, পৃ. ১৬১)
(৩) আল্লাহর নবী (স.) বলেছেন: ‘আশা-আকাঙ্খা আমার উম্মতের জন্য একটি রহমত স্বরূপ, যদি আশা না থাকতো তবে কোন মা তার সন্তানকে দুধ পান করাতো না এবং কোন মালিই গাছ লাগাতো না’ (তথা কোন কৃষকই চাষাবাদ করতো না)। (সাফিনাহ, আমাল, পৃ. ৩০)
(৪) হযরত (স.) বলেছেন: ‘ঈমানদার ব্যক্তিদের সম্মান জনগণ হতে তাদের অমুখাপেক্ষীতার মাঝে নিহীত, আর মুক্তি ও আত্মমর্যাদা অল্পে তুষ্টতার মাধ্যমে অর্জিত হয়’। (আদাব ওয়া আখলাক দার ইসলাম, পৃ. ৩১৮)
(৫) নবি করিম (স.) বলেছেন: ‘যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে আয়াতাল কুরসী পড়ে, মহান আল্লাহ্ তাকে রক্ষার জন্য একটি ফেরেশতা নিযুক্ত করেন যাতে সে সুস্থ অবস্থায় সকালে পৌঁছায়’ (বা জাগ্রত হয়)। (তাফসিরে মিনহাজুস সাদিকীন, খণ্ড ২, পৃ. ৯২)
(৬) রাসূলে (স.) বলেছেন: মহানবী (স.) কে জিজ্ঞেস করা হল, কেয়ামতের দিনের পরিত্রাণ কোন জিনিসের মাঝে নিহীত?
তিনি উত্তরে বললেন: ‘পরিত্রাণের একমাত্র পথ তোমরা হচ্ছে মহান আল্লাহকে ধোকা দিও না, এমনটি করলে মহান আল্লাহও তোমাদেরকে ধোকা দিবেন। কেননা যে ব্যক্তি আল্লাহকে ধোকা দেয় মহান আল্লাহও তাকে ধোকা দেন এবং তার হতে ঈমান কেড়ে নেন, যদি সে বুঝতে পারে তবে [বুঝবে যে] প্রকৃত অর্থে সে নিজেকেই ধোকা দিয়েছে’। বলা হল হে আল্লাহর রাসূল কিভাবে আল্লাহকে ধোকা দেওয়া হয়? তিনি বললেন: ‘মহান আল্লাহ্ যে কর্ম সম্পাদনের নির্দেশ তোমাদেরকে দিয়েছেন তা তোমরা সম্পাদন করো কিন্তু তোমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে [আল্লাহ ব্যতীত] অন্য কেউ’। অতঃপর বললেন: তাকওয়া অর্জন কর এবং লোক দেখানো হতে দূরে থাকো, কেননা লোক দেখানো বা রিয়া হচ্ছে মহান আল্লাহর সাথে শিরক করা। লোক দেখিয়ে কর্ম সম্পাদনকারীকে কেয়ামতের দিন ৪টি নামে ডাকা হবে: হে কাফের, হে পাপাচারী, হে ধোকাবাজ, হে ক্ষতিগ্রস্থ, তোমার সকল কর্ম ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তোমার সকল সওয়াব বাতিল হয়ে গেছে’। (আমালিয়ে সাদুক, পৃ. ৫৮২)
(৭) আল্লাহর নবী (স.) বলেছেন: ‘নিশ্চয়ই আমি উত্তম নৈতিকতার পরিপূর্ণতা দানের জন্য প্রেরিত হয়েছি’। (বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৬৭, পৃ. ৩৭২)
(৮) মহানবী (স.) বলেছেন: ‘সর্বোত্তম নৈতিকতার অধিকারী ব্যক্তিরা হচ্ছে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম; যারা জনগণকে ভালবাসে এবং জনগণও যাদেরকে ভালবাসে’। (মিশকাতুল আনওয়ার ফি গুরারিল আখবার, পৃ. ১৮০)
(৯) নবি করিম (স.) বলেছেন: ‘তোমাদের মধ্যে বৃদ্ধদেরকে সম্মান কর এবং ছোটদেরকে স্নেহ করো’। (আমালিয়ে সাদুক, পৃ. ৯৪)
(১০) আল্লাহর রাসুল (স.) বড় ও বয়োজেষ্ঠ্যদের সম্মান সম্পর্কে বলেছেন: ‘মহান আল্লাহর পবিত্র সত্ত্বার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি রূপ হচ্ছে মুসলিম বৃদ্ধ ও বয়োজেষ্ঠ্যদের প্রতি সম্মান করা’। (আল-কাফী, খণ্ড ২, পৃ. ১৬৫)
(১১) মুহাম্মাদ (স.) বলেছেন: ‘যে ব্যক্তি কোন মুসলিম বৃদ্ধকে সম্মান করে, মহান আল্লাহ্ তাকে কেয়ামতের দিনের ভয় হতে নিরাপত্তা দান করেন’। (লি-আলি’ল আখবার, পৃ. ১৮১)
(১২) এক বৃদ্ধ ব্যক্তি মহানবী (স.) এর সমীপে উপস্থিত হল, কিন্তু উপস্থিত ব্যক্তিরা কেউই তার সম্মান করলো না এবং তাকে জায়গা দিতে অলসতা দেখালো। (উপস্থিতদের এহেন আচারণে অসন্তুষ্ট হয়ে) মহানবী (স.) বললেন: ‘যারা আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করেনা এবং বৃদ্ধদের প্রতি সম্মান দেখায় না, তারা আমাদের হতে নয়’। (মিশকাতুল আনওয়ার ফি গুরারিল আখবার, পৃ. ১৬৮)
(১৩) দুই জাহানের রহমতের নবী (স.) হতে বর্ণিত: ‘তোমাদের সন্তানদেরকে সম্মান করো এবং তাদের সাথে আদবের সাথে আচরণ করো’। (বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ২৩, পৃ. ১১৪)
(১৪) আল্লাহর নবী (স.) বলেছেন: ‘তিনটি এমন জিনিষ আছে যাতে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হয়নি; প্রথম: প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা, চাই অপর পক্ষ মুসলমান হোক বা কাফের। দ্বিতীয়: পিতা মাতার প্রতি দয়াশীল হওয়া, চাই তারা মুসলমান হোক বা কাফের। তৃতীয়: আমানত রক্ষা করা, চাই অপর পক্ষ মুসলমান হোক বা কাফের’। মাজমুয়াতুল ওয়ারাম (তানবিহুল খাওয়াতের), খণ্ড ২, পৃ. ১২১)
(১৫) হযরত মুহাম্মাদ (স.) বলেছেন: ‘যে ব্যক্তি কথায় অধিক সত্যবাদী, আমানত রক্ষায় অধিক সতর্ক, প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অধিক ওয়াফাদার, যার চরিত্র অধিক উত্তম এবং তোমাদের মধ্য হতে জনগণের সাথে যার সম্পর্ক অতি নিকটের, সে কেয়ামতের দিন তোমাদের মধ্য হতে আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্যক্তি’। (তারিখে ইয়াকুবী, খণ্ড ২, পৃ. ৬০)
(১৬) মহানবী (স.) বলেছেন: ‘যে ব্যক্তির অধিকার রক্ষার বিষয়ে তুমি সতর্ক কিন্তু সে তোমার অধিকার রক্ষায় সতর্ক নয়, সে তোমার জন্য উত্তম বন্ধু নয় এবং সে তোমার সাথে ওঠাবসার যোগ্য নয়’। (নাহজুল ফাসাহাহ, পৃ. ৬৭৬)
ইসলামিক ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বাণী
সব কাজের আসল কাজ হলো ‘ ইসলাম’ । [ আহমদ ]. ১০. কোনো বান্দাহ ততোক্ষণ পর্যন্ত মুসলিম হয়না , যতোক্ষণ তার মন ও যবান মুসলিম না হয়। [ তাগরীব ].

এখানে ইসলামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণী তুলে ধরা হলো:
- “علماء ورثة الأنبياء”
- (জ্ঞানীরা নবীদের উত্তরসূরি।)
- “إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ”
- (আমি ভালো আচরণ সম্পূর্ণ করার জন্য পাঠানো হয়েছি।) – হাদিস
- “طلب العلم فريضة على كل مسلم”
- (জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ।)
- “من لا يرحم لا يُرحم”
- (যে رحم করে না, সে رحم পাবে না।)
- “الوقت كالسيف إن لم تقطعه قطعك”
- (সময় তলোয়ারের মতো, যদি তুমি এটিকে কাটতে না পারো, তবে এটি তোমাকে কাটবে।)
- “أحب لأخيك ما تحب لنفسك”
- (তোমার ভাইয়ের জন্য যা তুমি নিজের জন্য চাই, সেটাই তাকে চাই।)
- “إنما الأعمال بالنيات”
- (অন্যায়ের কাজগুলো নিয়তের ওপর নির্ভর করে।)
- “أكثروا من ذكر الله”
- (আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো।)
- “من لا يشكر الناس لا يشكر الله”
- (যে লোক মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।)
- “إن الله لا يغير ما بقوم حتى يغيروا ما بأنفسهم”
- (আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনে।)
এই বাণীগুলি ইসলামের নৈতিকতা, শিক্ষা এবং মানবিক মূল্যবোধের ওপর আলোকপাত করে। আশা করি এগুলি আপনার কাজে আসবে!
ইসলামিক ১০টি বাণীগুলোর ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো:
- “علماء ورثة الأنبياء”
- (জ্ঞানীরা নবীদের উত্তরসূরি।)
- ব্যাখ্যা: জ্ঞানীরা নবীদের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তারা মানুষের মধ্যে জ্ঞান ছড়ায় এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে।
- “إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ”
- (আমি ভালো আচরণ সম্পূর্ণ করার জন্য পাঠানো হয়েছি।)
- ব্যাখ্যা: নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন যে, তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের মধ্যে উৎকৃষ্ট নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করা।
- “طلب العلم فريضة على كل مسلم”
- (জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ।)
- ব্যাখ্যা: ইসলাম শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রতি গুরুত্ব দেয়। মুসলমানদের জন্য জ্ঞান অর্জন করা বাধ্যতামূলক, যাতে তারা সঠিকভাবে ধর্ম পালন করতে পারে।
- “من لا يرحم لا يُرحم”
- (যে رحم করে না, সে رحم পাবে না।)
- ব্যাখ্যা: যিনি অন্যদের প্রতি দয়া দেখান না, আল্লাহও তাঁর প্রতি দয়া করবেন না। এটি দয়ার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
- “الوقت كالسيف إن لم تقطعه قطعك”
- (সময় তলোয়ারের মতো, যদি তুমি এটিকে কাটতে না পারো, তবে এটি তোমাকে কাটবে।)
- ব্যাখ্যা: সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহারের গুরুত্ব বুঝায়। সময় নষ্ট করা মানে জীবনের সুযোগ হারানো।
- “أحب لأخيك ما تحب لنفسك”
- (তোমার ভাইয়ের জন্য যা তুমি নিজের জন্য চাই, সেটাই তাকে চাই।)
- ব্যাখ্যা: এটি মানবিক সম্পর্কের নৈতিকতা নির্দেশ করে, যার মাধ্যমে আমরা একে অপরের জন্য সদয় ও সহানুভূতিশীল হতে শিখি।
- “إنما الأعمال بالنيات”
20(অন্যায়ের কাজগুলো নিয়তের ওপর নির্ভর করে।)
ব্যাখ্যা: কাজের মান ও গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে করার উদ্দেশ্যের ওপর। সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করলে তা আল্লাহর কাছে গৃহীত হয়।
21″أكثروا من ذكر الله”
(আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো।)
ব্যাখ্যা: আল্লাহর স্মরণ আমাদের জীবনে শান্তি এবং সঠিক পথ নির্দেশ করে। এটি আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করে।
22″من لا يشكر الناس لا يشكر الله”
(যে লোক মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।)
ব্যাখ্যা: মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ঈমানের একটি অংশ। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আগে আমাদের অন্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ হতে হবে।
23″إن الله لا يغير ما بقوم حتى يغيروا ما بأنفسهم”
(আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনে।)
ব্যাখ্যা: সামাজিক এবং ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য প্রথমে নিজেদের পরিবর্তন প্রয়োজন। পরিবর্তন চাওয়ার আগে আমাদের নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে।
এই বাণীগুলো ইসলামিক নৈতিকতা ও মূল্যবোধকে স্পষ্ট করে এবং আমাদের জীবনে তাদের প্রয়োগের গুরুত্ব বোঝায়। আশা করি এটি আপনার জন্য সহায়ক হবে!
“মহানবী (সা:) এর ১০ টি হাদিস
* যে জ্ঞানের সন্ধানে বের হয় সে ‘আল্লাহর’ পথে বের হয়।
* ধৈর্য জান্নাতের ভান্ডারসমূহের একটি ভান্ডার। [বায়হাকি]
* স্বামী খুশি থাকা অবস্থায় কোন স্ত্রীলোক মারা গেলে সে জান্নাতি। [তিরমিযী ১১৬৯]
* মহিলাদের নামায তাদের ঘরের গোপন কক্ষে পড়া উত্তম। ( আবুদাউদ, হা, ৫৭০ ইঃফাঃ)

* পুলসিরাত জাহান্নামের মধ্যখানে স্থাপন করা হইবে। রাসুলের মধ্য আমিই সর্ব প্রথম স্বীয় উম্মত লইয়া ইহা অতিক্রম করিব। সে দিন নবী রাসুলগন ব্যতীত অন্য কেহ কথা বলিবে না। প্রত্যেক নবী বলিতে থাকিবে হায় আল্লাহ! নিরাপত্তা দান করুন। হায় আল্লাহ! নিরাপত্তা দান করুন।
* উত্তম স্ত্রী তো সেই যার দিকে তাকিয়ে স্বামী আনন্দিত হয়। স্বামী কোন কিছু আদেশ করলে তা পালন করে । এবং স্বামী যা অপছন্দ করেন ,স্ত্রী তা করে না ।
—-মিশাকাত ৩২৭২ ।
* তোমরা হিংসা-বিদ্বেষ থেকে নিবৃত্ত থাকবে। কেননা, হিংসা মানুষের নেক আমল বা পুণ্যগুলো এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়।”
—–আবু দাউদ
*আমার উম্মতকে ভুল, বিস্মৃতি ও জবরদস্তির গুনাহ হতে নিষ্কৃতি দেয়া হয়েছে। — সুনানে ইবনে মাজাহ (২০৪৫)
* একটি যুগ আসবে যখন মানুষ উপার্জন করতে একথা চিন্তা করবে না যে,আমি হালাল পন্থায় উপার্জন করছি,নাকি হারাম পন্থায়! [সহীহ বুখারী,হাদিস নং ১৯৪১]
ইসলামিক বায়ো আরবি/ Islamic Bio Arabic caption
ইসলামিক বায়ো আরবি ভাষায় সাধারণত একজন ব্যক্তির জীবনের মূল বিষয়, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি, এবং সামাজিক অবস্থা তুলে ধরে। এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

নাম: মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ
জন্ম: ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দ, মক্কা
মৃত্যু: ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ, মদিনা
মুহাম্মদ (সঃ) ইসলামের শেষ নবী, যিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে হিজরত করেন এবং ইসলামের বার্তা প্রচার করেন। তিনি ৪০ বছর বয়সে প্রথম ইসলামী ওহী লাভ করেন এবং এরপর ২৩ বছর ধরে ইসলাম প্রচার করেন। তাঁর জীবনে দয়া, ন্যায় ও সত্যের উদাহরণ রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ অবদান
ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠা
মুসলিম সম্প্রদায়ের সংগঠন ও নেতৃত্ব
মানবতার জন্য নৈতিক শিক্ষার প্রচার
শিক্ষা
মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, “জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ।”
এটি একটি সাধারণ ইসলামী বায়োর কাঠামো। আপনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির বায়ো জানতে চাইলে জানাতে পারেন।
মুহাম্মদ (সঃ) এর জীবনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা রয়েছে, যা ইসলামের ইতিহাসকে প্রভাবিত করেছে। এখানে কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা তুলে ধরা হলো:
১. জন্ম ও শৈশব
জন্ম: ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন।
পিতামাতার মৃত্যু: তাঁর পিতা আবদুল্লাহ এবং মাতা আমিনা অল্প বয়সে মারা যান, এবং তিনি দাদা এবং পরে চাচার কাছে বড় হন।
২. প্রথম ওহী
প্রথম ওহী: ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে হিরা গুহায় প্রথম ওহী প্রাপ্তি, যেখানে জিবরাইল (আঃ) তাঁকে “ইকরা” (পড়া) বলে আদেশ দেন।
৩. ইসলাম প্রচার শুরু
প্রথম মুসলমান: খাদিজা (রাঃ) এবং তাঁর কিছু নিকটাত্মীয় প্রথম মুসলমান হিসেবে ইসলাম গ্রহণ করেন।
প্রচারের শুরু: প্রথমে গোপনে, পরে প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করেন।
৪. মক্কায় নির্যাতন
নির্যাতন: মুসলমানদের ওপর তীব্র নির্যাতন শুরু হয়। অনেক মুসলমানকে মক্কা ত্যাগ করতে হয়।
৫. হিজরত
হিজরত: ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন, যা ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।
৬. মদিনার সমাজ গঠন
মদিনা সনদ: মদিনায় মুসলিম, ইহুদি এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর মধ্যে একটি সংবিধান তৈরি করেন, যা সামাজিক শান্তি ও সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করে।
৭. যুদ্ধ ও বিজয়
বদর যুদ্ধ: ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বড় যুদ্ধ, যেখানে মুসলমানরা শক্তিশালী মক্কাবাসীদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হন।
উহুদ যুদ্ধ: ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত, যেখানে মুসলমানরা কিছু ক্ষতির সম্মুখীন হন।
৮. মক্কা বিজয়
মক্কা বিজয়: ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা বিজয় করেন এবং কাবা পুনর্গঠন করেন।
৯. মৃত্যু
মৃত্যু: ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর ইসলামের দ্রুত বিস্তার ঘটে।
এগুলো মুহাম্মদ (সঃ) এর জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য রাখে।
পড়ালেখা নিয়ে সুন্দর ২০ টি উক্তি {20 beautiful quotes about education}
শিক্ষার জীবনকে পরিবর্তন করার এবং সাফল্যের পথ প্রশস্ত করার ক্ষমতা রয়েছে। আজকের আর্টিকেলে আমরা পড়ালেখা নিয়ে উক্তি সংগ্রহ করেছি – জ্ঞানের সুন্দর শব্দ যা শেখার গুরুত্ব উদযাপন করে এবং আমাদের জ্ঞানের সন্ধান বন্ধ না করতে অনুপ্রাণিত করে।

পড়ালেখা নিয়ে ২০ টি সুন্দর উক্তি এখানে দেওয়া হলো
- “জ্ঞান অর্জনই সত্যিকার উন্নতির পথ।”
- “পড়ালেখার মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে যাচাই করতে পারি।”
- “শিক্ষা হল আত্মার মুক্তির চাবিকাঠি।”
- “জ্ঞান শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে।”
- “একটি বই হল নতুন জগতের দরজা।”
- “পড়ালেখা জীবনকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যায়।”
- “শিক্ষা আমাদের চিন্তার প্রান্তরকে প্রসারিত করে।”
- “জ্ঞান অর্জন হল জীবনের সার্থকতা।”
- “কষ্ট সাধন করলেই শিক্ষার ফল পাবেন।”
- “শিক্ষা হল হাতিয়ার, যা আমাদের জীবনকে গঠন করে।”
- “পড়ালেখা আমাদের চিন্তাভাবনাকে উন্মুক্ত করে।”
- “জ্ঞান অর্জনের জন্য কখনো শেষ হয় না, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।”
- “শিক্ষা হল সমাজের উন্নতির মূল ভিত্তি।”
- “জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে নতুন কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।”
- “পড়ালেখায় নিষ্ঠা থাকলে সাফল্য অনিবার্য।”
- “শিক্ষা মানসিক ও আত্মিক শক্তির উন্মেষ ঘটায়।”
- “জ্ঞান অর্জন করতে হলে প্রশ্ন জাগাতে হবে।”
- “পড়ালেখা হল মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
- “শিক্ষার আলো আমাদের পথ দেখায়।”
- “জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে শিক্ষার প্রভাব রয়েছে।”
এই উক্তিগুলো পড়ালেখার গুরুত্ব এবং এর প্রভাবকে তুলে ধরে।
পড়ালেখা নিয়ে ৪০টি সুন্দর স্ট্যাটাস Status
40 beautiful statuses about studying
- “জ্ঞান অর্জনই জীবনের সার্থকতা।”
- “পড়ালেখা হল সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।”
- “প্রতিদিন কিছু নতুন শেখার চেষ্টা করুন।”
- “শিক্ষা হল মুক্তির পথ।”
- “পড়ালেখা মানে শুধুই বই পড়া নয়, জীবন বোঝা।”
- “জ্ঞান অর্জন করতে কষ্ট করতে হবে।”
- “শিক্ষা হল শক্তি, যা সমাজকে বদলে দেয়।”
- “পড়ালেখা হলো আত্ম-উন্নতির একটি মাধ্যম।”
- “জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে শিক্ষা প্রয়োজন।”
- “পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, সফলতা আসবে।”
- “জ্ঞান অর্জন করার জন্য বয়সের প্রয়োজন নেই।”
- “শিক্ষা হল মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু।”
- “পড়ালেখা মানে নতুন দিগন্তের সন্ধান।”
- “শিক্ষার আলো জীবনকে উজ্জ্বল করে।”
- “পড়ালেখা আমাদের চিন্তাভাবনাকে প্রসারিত করে।”
- “শিক্ষা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।”
- “পড়ালেখা হল উন্নতির প্রথম পদক্ষেপ।”
- “জ্ঞান অর্জনের জন্য কখনো শেষ হয় না।”
- “শিক্ষা হল সমাজের উন্নতির ভিত্তি।”
- “জীবনে যেকোনো পরিবর্তন শিক্ষার মাধ্যমে সম্ভব।”
- “পড়ালেখা হল সাফল্যের সিঁড়ি।”
- “জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে নতুন কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।”
- “শিক্ষা আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক।”
- “পড়ালেখা মানে চিন্তা ও বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া।”
- “শিক্ষা আমাদের কল্পনাশক্তিকে প্রসারিত করে।”
- “পড়ালেখা হল আত্ম-অনুসন্ধানের যাত্রা।”
- “জীবনকে সুন্দর করতে জ্ঞান অর্জন করুন।”
- “শিক্ষা হল আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি।”
- “পড়ালেখা আমাদের জীবনে নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।”
- “জ্ঞান অর্জন করতে কখনো দেরি হয় না।”
- “শিক্ষা আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।”
- “পড়ালেখা হল সফলতার পথে প্রথম পদক্ষেপ।”
- “শিক্ষা আমাদের সমাজে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।”
- “পড়ালেখা মানে জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে শেখা।”
- “জ্ঞান শুধু বইয়ের মধ্যে নেই, জীবনের প্রতিটি কোণে রয়েছে।”
- “শিক্ষার মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে চিনতে পারি।”
- “পড়ালেখা হল ভবিষ্যতের নির্মাণ।”
- “জ্ঞান অর্জন হল জীবনের অমূল্য সম্পদ।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে বৈষম্য দূর করতে সহায়তা করে।”
- “পড়ালেখা হল সৃষ্টির আনন্দের পথ।”
এই স্ট্যাটাসগুলো পড়ালেখার গুরুত্ব এবং এর প্রভাবকে সুন্দরভাবে তুলে ধরে।
শিক্ষা নিয়ে উক্তি, শিক্ষা নিয়ে ৩০ বাণী
Quotes about education, 30 sayings about education
শিক্ষা নিয়ে উক্তি, শিক্ষা নিয়ে বাণীঃ একজন শিক্ষাবিদ হওয়া সবসময় সবচেয়ে সহজ কাজ নয়, কিন্তু আপনি ছাত্রদের জীবনে প্রভাব ফেলেছেন তা জেনে রাখা অনেক ফলপ্রসূ হতে পারে। সমস্ত ভাল এবং খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে, আপনি অধ্যবসায় চালিয়ে যান এবং সমস্ত পটভূমি এবং ক্ষমতার শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করেন। আমরা শিক্ষার সেরা অংশগুলি উদযাপন করার জন্য শিক্ষা নিয়ে উক্তি বা শিক্ষা নিয়ে বাণী সংগ্রহ করেছি, শেখার এবং বিশ্বের উপর তাদের প্রভাব রয়েছে৷ শিক্ষা নিয়ে উক্তি,
শিক্ষা নিয়ে বাণীঃ
- “শিক্ষা হল আলোর পথ, যা অন্ধকারকে দূর করে।”
- “শিক্ষা হলো জীবনের ভিত্তি; এটি আমাদের চিন্তা ও কাজের দিকনির্দেশ করে।”
- “জ্ঞান হলো শক্তি; শিক্ষা হলো সেই শক্তির উৎস।”
- “শিক্ষা আমাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে।”
- “শিক্ষা হল জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।”
- “শিক্ষা কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং জীবনের অভিজ্ঞতা।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।”
- “শিক্ষা হল সেই চাবি, যা আমাদের সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়।”
- “শিক্ষা একটি অবিরাম যাত্রা; এটি কখনও শেষ হয় না।”
- “শিক্ষা মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করে।”
শিক্ষা নিয়ে উক্তি,
এখানে কিছু শিক্ষার উপর উক্তি:
“শিক্ষা হলো সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যা আপনি বিশ্বকে পরিবর্তন করতে ব্যবহার করতে পারেন।” — নেলসন ম্যান্ডেলা
“শিক্ষা একটি আলো। এটি অন্ধকারে পথ দেখায়।” — অজ্ঞাত
“শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো চিন্তা করার ক্ষমতা তৈরি করা।” — আলবার্ট আইনস্টাইন
“শিক্ষা হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি কখনো শেষ হয় না।” — জোহান উলফগ্যাং ফন গেট
“শিক্ষা মানুষের মুক্তির একটি উপায়।” — মালালা ইউসাফজাই
এই উক্তিগুলি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রভাব তুলে ধরে।
শিক্ষা নিয়ে ৩০ বাণী
- “শিক্ষা হল আলোর পথ, যা অন্ধকারকে দূর করে।”
- “শিক্ষা হলো জীবনের ভিত্তি; এটি আমাদের চিন্তা ও কাজের দিকনির্দেশ করে।”
- “শিক্ষা কেবল তথ্যের সংকলন নয়, বরং এটি চিন্তার স্বাধীনতা।”
- “যে শিক্ষা মানুষকে উন্নত করে, সেটাই প্রকৃত শিক্ষা।”
- “জ্ঞান হলো শক্তি; শিক্ষা হলো সেই শক্তির উৎস।”
- “শিক্ষা আমাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে।”
- “শিক্ষা হল জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।”
- “শিক্ষা কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং জীবনের অভিজ্ঞতা।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।”
- “শিক্ষা হল সেই চাবি, যা আমাদের সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়।”
- “শিক্ষা একটি অবিরাম যাত্রা; এটি কখনও শেষ হয় না।”
- “শিক্ষা মানুষকে সমৃদ্ধ করে এবং সমাজকে উন্নত করে।”
- “শিক্ষা হল মুক্তির পথ; এটি আমাদের চিন্তন ও উপলব্ধির দিগন্তকে প্রসারিত করে।”
- “শিক্ষা হল বীজ, যা সঠিক পরিচর্যায় মহীরুহে পরিণত হয়।”
- “শিক্ষা আমাদের স্বপ্ন দেখাতে এবং সেগুলোকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করে।”
- “শিক্ষা ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয়।”
- “শিক্ষা একটি শক্তিশালী হাতিয়ার; এটি সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে।”
- “শিক্ষা হল জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।”
- “শিক্ষা মানে কেবল বই পড়া নয়, বরং জীবন শেখা।”
- “শিক্ষা আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা দেয়।”
- “শিক্ষার আলোয় অন্ধকার দূর হয়।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে সত্যের পথে পরিচালিত করে।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে সঠিক পথে এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রস্তুত করে।”
- “শিক্ষা হল মুক্তচিন্তার উৎস।”
- “শিক্ষা মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।”
- “শিক্ষা হচ্ছে একজন মানুষের আত্মার পরিচয়।”
- “প্রকৃত শিক্ষা হল যা আমাদের মানবতা শেখায়।”
- “শিক্ষা হলো জীবনকে বোঝার মাধ্যম।”
- “শিক্ষা আমাদেরকে নতুন সম্ভাবনার দিকে পরিচালিত করে।”
এই বাণীগুলি শিক্ষা ও জ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরে
60 টি সেরা পড়ালেখা নিয়ে উক্তি
সেরা পড়ালেখা নিয়ে উক্তি শিক্ষা সমাজের ভিত্তি এবং উন্নয়নের মূল উপাদান। এটি শুধু তথ্য ও জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়, বরং মননশীলতা, নৈতিকতা এবং সামাজিক মূল্যবোধ গঠনের একটি প্রক্রিয়া। শিক্ষা একটি সমাজের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে, দারিদ্র্য হ্রাসে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সহায়ক।
এখানে ৬০টি সেরা পড়ালেখা নিয়ে উক্তি তুলে ধরা হলো
- “পড়ালেখা হল একটি জাদুকরী চাবি, যা সমস্ত দরজা খুলে দেয়।”
- “শিক্ষা হলো সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যা আপনি বিশ্বের পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।” – নেলসন ম্যান্ডেলা
- “পড়া মানে নতুন দুনিয়ায় প্রবেশ করা।”
- “জ্ঞান অর্জন হল জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
- “পড়ালেখা কখনো শেষ হয় না; এটি একটি ক্রমাগত প্রক্রিয়া।”
- “আপনার মনের শক্তি বাড়াতে বই পড়ুন।”
- “শিক্ষা হচ্ছে আলো, যা অন্ধকারকে দূর করে।”
- “পড়া আমাদের চিন্তার দিগন্তকে প্রসারিত করে।”
- “একটি বই হল একটি বন্ধু, যা কখনো আপনাকে ছেড়ে যায় না।”
- “পড়ালেখা আমাদের জীবনের ভিত্তি।”
- “প্রতিটি বই একটি নতুন অভিজ্ঞতা।”
- “শিক্ষা মানে জীবনভর শেখা।”
- “জ্ঞান অর্জন করতে সময় নষ্ট করবেন না।”
- “পড়া মানে স্বাধীনতা।”
- “শিক্ষা হল সেই শক্তি, যা মানুষকে উন্নত করে।”
- “পড়ালেখা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সাহায্য করে।”
- “একটি ভালো বই হল একটি ভালো শিক্ষক।”
- “জ্ঞান অর্জনের জন্য সঠিক সময় কখনোই নেই।”
- “পড়ালেখা ছাড়া জীবন অন্ধকার।”
- “শিক্ষা হল সেই গাছ, যার ফল সবসময় মিষ্টি।”
- “পড়া হল মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশ।”
- “শিক্ষা আমাদের চিন্তার শক্তি বৃদ্ধি করে।”
- “একটি বই আমাদের নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।”
- “পড়ালেখা হল আত্ম-উন্নতির একটি উপায়।”
- “শিক্ষা আমাদের সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করে।”
- “পড়া আমাদের চিন্তাকে স্বাধীন করে।”
- “একটি বই পড়া মানে নতুন দুনিয়ায় প্রবেশ করা।”
- “জ্ঞান কখনো পুরনো হয় না।”
- “পড়ালেখা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি দেয়।”
- “শিক্ষা হল সাফল্যের চাবিকাঠি।”
- “জ্ঞান অর্জন করলে আপনি সবকিছু করতে পারবেন।”
- “পড়া আমাদের মনের দরজা খুলে দেয়।”
- “শিক্ষা হল একটি পথচলা, যা কখনো শেষ হয় না।”
- “পড়ালেখা আমাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।”
- “একটি বই পড়া মানে নতুন বন্ধু পাওয়া।”
- “শিক্ষা হল জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
- “জ্ঞান অর্জন করুন, কারণ এটি আপনার জীবন পরিবর্তন করতে পারে।”
- “পড়া আমাদের চিন্তাকে সম্প্রসারিত করে।”
- “শিক্ষা হল উন্নতির জন্য সেরা উপায়।”
- “একটি বই হল আপনার চিন্তার প্রতিফলন।”
- “পড়া মানে নতুন জগত আবিষ্কার করা।”
- “শিক্ষা হল আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করার একটি উপায়।”
- “জ্ঞান অর্জন করুন, কারণ এটি অমূল্য।”
- “পড়ালেখা হল একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের ভিত্তি।”
- “শিক্ষা আমাদের সক্ষমতা বাড়ায়।”
- “পড়া আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।”
- “একটি বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠা একটি নতুন শিক্ষা।”
- “শিক্ষা মানে আপনার সম্ভাবনা জানাশোনা করা।”
- “পড়া আমাদের চিন্তাকে স্বাধীন করে।”
- “শিক্ষা হল উন্নতির দিশারী।”
- “জ্ঞান হল সেই শক্তি, যা কখনো হারায় না।”
- “পড়ালেখা হল আত্ম-উন্নতির একমাত্র উপায়।”
- “শিক্ষা আমাদের চিন্তাকে বিশাল করে।”
- “একটি বই পড়া মানে নতুন চিন্তা গ্রহণ করা।”
- “জ্ঞান অর্জন হল একটি চলমান প্রক্রিয়া।”
- “পড়ালেখা আমাদের পথনির্দেশ করে।”
- “শিক্ষা হল মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
- “পড়া হল একটি বিনিয়োগ, যা কখনো মুনাফা দেয়।”
- “জ্ঞান অর্জনের জন্য কখনো দেরি হয় না।”
- “পড়ালেখা আমাদের মনের দিগন্ত প্রসারিত করে।”
এগুলো পড়ালেখার গুরুত্ব ও প্রভাব তুলে ধরে।
সবশেষে,
আশা করি আজকের এই পোস্ট আপনাদের ভালো লেগেছে। এখান থেকে আপনাদের পছন্দে ইসলামিক গুরুত্বপূর্ণ বাণী এবং সেরা পড়ালেখা নিয়ে উক্তি বেছে নিন। এবং আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে শেয়ার করুন। আমাদের এই পোস্ট ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারা ও এখান থেকে তাদের পছন্দের পড়ালেখা নিয়ে উক্তিএবং ইসলামিক বাণী বেছে নিতে পারে। সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।