Court grants 5-day remand of Barrister Sumon

ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে আদালত তাঁকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

Court grants 5-day remand of Barrister Sumon,যুবদল নেতা ও মিরপুরের বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টার মামলায় হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমনকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ব্যারিস্টার সুমনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক আব্দুল হালিম মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

তবে সাবেক সংসদ সদস্যের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান, যা রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধিতায় আদালত নামঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, সোমবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই মাধবপুরে যুবদল নেতা হৃদয় মিয়া মিরপুর-১০ নম্বরে একটি সমাবেশে অংশ নেন, যেখানে হামলার ঘটনায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি মিরপুর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন, যার ৩ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি ব্যারিস্টার সুমন।

দাবি করেছে যে, সুমনের তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন।

ব্যারিস্টার সুমন একজিন খুব ভালো মানুষ তিনি নির্দোষ আদালতে প্রমান হবে ইনশাল্লাহ

ব্যারিস্টার সুমন একজিন খুব ভালো মানুষ তিনি নির্দোষ আদালতে প্রমান হবে ইনশাল্লাহ

Court grants 5-day remand of Barrister Sumon,ব্যারিস্টার সুমন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী এবং সমাজের একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ। তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার কত দৃঢ়। সুমন সবসময় নিরপরাধ মানুষের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকেন এবং সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেন।

সুমনের আইনজীবী হওয়ার পেছনে একটি গভীর দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে প্রতিটি মানুষই নিজের মত প্রকাশের অধিকার রাখে এবং তাদের কাছে সুবিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ জন্য তিনি নিরলসভাবে কাজ করেন, বিশেষ করে সেই সব মানুষদের জন্য যারা সমাজের প্রান্তে অবস্থান করছে। সুমনের অনেক মামলা রয়েছে যেখানে তিনি নিরপরাধ মানুষের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন এবং আদালতে তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন।

একটি বিশেষ মামলার কথা উল্লেখ করা যায় যেখানে সুমন একটি যুবকের পক্ষে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যাকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। এ মামলায় সুমন প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে যুবকটি নির্দোষ। তিনি আদালতে বিভিন্ন সাক্ষ্য, নথি এবং তথ্য উপস্থাপন করেন, যা যুবকের নির্দোষত্ব প্রমাণ করে। সুমনের কঠোর পরিশ্রম এবং আইনগত দক্ষতা শেষ পর্যন্ত যুবকের মুক্তির পথ প্রশস্ত করে।

সুমনের কাজের পদ্ধতি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং সৎ। তিনি কখনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন না এবং সর্বদা সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁর এই মানসিকতা এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা তাঁকে সমাজে প্রশংসিত করেছে। মানুষ তাঁকে একজন আদর্শ আইনজীবী হিসেবে দেখেন, যিনি সবসময় ন্যায় ও সত্যের পক্ষে অবস্থান নেন।

সুমনের এই নৈতিকতার ভিত্তিতে আমরা আশাবাদী যে আদালতে তাঁর ক্লায়েন্ট নির্দোষ প্রমাণিত হবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে ইনশাল্লাহ, সত্যের জয় হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। সমাজে সুমনের মতো মানুষের প্রয়োজন, যারা মানুষের অধিকার রক্ষায় লড়াই করেন এবং সমাজে পরিবর্তনের জন্য কাজ করেন।

এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি সহানুভূতি ও মানবতার ভিত্তিতে কাজ করেন। তাঁর এই উদ্যোগ সমাজের দুর্বলদের জন্য এক ধরণের আশার আলো। ব্যারিস্টার সুমন আমাদের সামনে একটি উদাহরণ, যিনি নৈতিকতা ও মানবিকতার পথ অনুসরণ করে চলছেন। তাঁর এই যাত্রা আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা, এবং আমরা আশা করি তিনি আরও অনেক নির্দোষ মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করবেন।

ব্যারিস্টার সুমনের জীবন কাহিনি

ব্যারিস্টার সুমনের জীবন কাহিনি

প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যারিস্টার সুমনের ৫ দিন এর রিমান্ড মুনজুর করলো আদলত,সুমন তার শৈশবকালীন শিক্ষা শুরু করে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে তিনি খুব বেশি সময় নষ্ট না করেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তাঁর শিক্ষকরা তার মেধার প্রশংসা করতেন এবং তাকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করতেন। বিতর্ক, বক্তৃতা এবং রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের পর সুমন স্থানীয় কলেজে ভর্তি হয়। কলেজের দিনগুলোতে তিনি আইন নিয়ে পড়ার জন্য আগ্রহী হন। তিনি বুঝতে পারেন যে, আইন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা সমাজের অসঙ্গতি দূর করতে সাহায্য করতে পারে। কলেজ জীবনে তিনি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে কাজ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন
সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তিনি আইন বিষয়ক বিভিন্ন তত্ত্ব, নীতি এবং মানবাধিকার নিয়ে পড়তে শুরু করেন। তিনি বুঝতে পারেন যে আইন কেবল একটি পেশা নয়, বরং এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোতে তিনি বিতর্ক ক্লাবের সদস্য হন এবং সেখানে তিনি অসংখ্য বিতর্কে অংশগ্রহণ করেন।

পেশাগত জীবন
স্নাতক শেষ করার পর, সুমন একটি renomated আইন ফার্মে যোগ দেন। সেখানে তিনি আইন ও নীতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় কাজ করার সুযোগ পান। তাঁর দক্ষতা, সততা এবং কঠোর পরিশ্রমের জন্য তিনি দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হন।

একটি মামলায়, সুমন একটি মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করছিলেন, যেখানে একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অবিচার ঘটেছিল। তিনি সেই মামলায় নিপীড়িতদের পক্ষে দাঁড়ান এবং আদালতে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সফল হন।

সমাজ সেবা
ব্যারিস্টার সুমন আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি একজন সমাজসেবকও ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতেন এবং দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের জন্য কাজ করতেন। তিনি স্থানীয় একটি এনজিওর সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিশুদের শিক্ষায় সহায়তা করতে শুরু করেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নয়নে সহায়তা করা।

চ্যালেঞ্জ ও সংগ্রাম
সুমনের পেশাগত জীবনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি অনেক সময় কঠোর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, যেখানে তিনি নিজেকে প্রশ্ন করেছেন, “আমি কি সত্যিই এই পেশায় সফল হতে পারব?” তবে তিনি কখনও হাল ছাড়েননি। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং সংকল্পের মাধ্যমে তিনি সাফল্য অর্জন করেন।

সাফল্য ও স্বীকৃতি
সুমনের কাজের ফলস্বরূপ তিনি বিভিন্ন পুরস্কার ও স্বীকৃতি অর্জন করেন। তার আইনজীবী হিসেবে সাফল্য এবং সামাজিক কাজে অবদান রাখার জন্য তিনি সম্মানিত হন। তিনি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন।

জীবন দর্শন
ব্যারিস্টার সুমনের জীবন দর্শন হল, “কঠোর পরিশ্রম এবং সততা সবসময় সফলতা আনবে।” তিনি বিশ্বাস করতেন যে, আইন শুধু একটি পেশা নয়, বরং এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য প্রতিটি আইনজীবীর উচিত তাদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করা।

কোন সামাজিক প্রকল্পে সুমন অংশগ্রহণ করেছিলেন

কোন সামাজিক প্রকল্পে সুমন অংশগ্রহণ করেছিলেন

ব্যারিস্টার সুমন বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছেন,其中 একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হলো “শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প”। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি বিশেষভাবে দরিদ্র ও অবহেলিত সম্প্রদায়ের শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য
শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি: সুমন বিশ্বাস করতেন যে, শিক্ষা একটি মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রকল্পটি মূলত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান এবং তাদের পাঠ্যবই, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহের উদ্দেশ্যে ছিল।
স্বাস্থ্য সচেতনতা: শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেখানে ডাক্তারদের দ্বারা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
কার্যক্রম
শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন: সুমন ও তার দলের সদস্যরা স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহায়তায় একটি শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেন, যেখানে শিক্ষকেরা শিশুদের পাঠদান করতেন।
স্বাস্থ্য ক্যাম্প: বছরে কয়েকবার স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করা হত, যেখানে ডাক্তাররা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করতেন।
সচেতনতা কার্যক্রম: শিক্ষা কেন্দ্রে নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হতো, যেখানে শিশুদের এবং তাদের অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য প্রদান করা হত।
ফলাফল
এই প্রকল্পের ফলে অনেক শিশু শিক্ষার সুযোগ পেয়েছিল এবং তাদের স্বাস্থ্য উন্নত হয়েছিল। সুমনের নেতৃত্বে প্রকল্পটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

সুমন বিশ্বাস করতেন যে, এই ধরনের সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি সমাজে একটি স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারবেন এবং তাঁর স্বপ্ন ছিল দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য শিক্ষার আলো জ্বালানো।

ব্যারিস্টার সুমনের রাজনৈতিক জীবন

ব্যারিস্টার সুমনের রাজনৈতিক জীবন

সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন যুবলীগের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুব আলীকে ৯৯ হাজার ৫৫৬ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হন।[৪][৫]

৫ আগস্ট ২০২৪ সালে অসহযোগ আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারত পালিয়ে গেলে পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।

ব্যারিস্টার সুমন একজন সমাজসচেতন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তার রাজনীতির উদ্দেশ্য ছিল সমাজের অসঙ্গতি দূর করা এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, আইন কেবল পেশা নয়, বরং একটি সামাজিক দায়িত্ব।

রাজনৈতিক দর্শন
সুমনের রাজনৈতিক দর্শন ছিল মানবতাবাদী এবং গণতান্ত্রিক। তিনি সব সময় ন্যায় এবং সমতার পক্ষে ছিলেন। তার মতে, একটি সমাজের উন্নয়ন সম্ভব যখন সেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রত্যেকের অধিকার রক্ষিত থাকে। তিনি রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়ার আগে বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, যেখানে তিনি মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়ের জন্য লড়াই করেছেন।

রাজনৈতিক কার্যক্রম
সুমন মূলত একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হন। তিনি দলের যুব শাখার নেতৃত্ব দেন এবং সেখানে যুবকদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করেন। তিনি বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করতেন, যেখানে যুবকদের রাজনৈতিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হত।

নির্বাচনী প্রচারণা
সুমন একবার স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি একটি সৎ এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের কাছে যান। তার নির্বাচনী প্রচারণা ছিল সাধারণ মানুষের মাঝে, যেখানে তিনি দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচনের সময় তিনি জনগণের সমস্যাগুলো শোনার জন্য প্রতিদিন মাঠে থাকতেন এবং তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতেন।

চ্যালেঞ্জ ও সংগ্রাম
রাজনীতিতে আসা সত্ত্বেও সুমনকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তিনি দেখেছিলেন যে, অনেক সময় রাজনৈতিক দুর্নীতি ও অসৎ প্রতিযোগিতা সমাজের উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তবে সুমন কখনও হতাশ হননি। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, ন্যায় ও সততার পথে চললেই একদিন সমাজে পরিবর্তন আসবে।

সমাজের প্রতি দায়িত্ব
সুমনের রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল সমাজের সাধারণ মানুষের উন্নতি। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তার দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল সমাজসেবা ও মানবিক মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে।

ব্যারিস্টার সুমনের মানবিক কাজের কিছু উদাহরণ:

ব্যারিস্টার সুমনের মানবিক কাজের কিছু উদাহরণ:

১. শিক্ষার্থীদের সহায়তা
সুমন স্থানীয় দরিদ্র শিশুদের জন্য একটি শিক্ষা কেন্দ্র চালু করেন, যেখানে বিনামূল্যে পাঠদান এবং পাঠ্যবই সরবরাহ করা হয়। তিনি শিক্ষকদের নিয়োগ দেন এবং শিশুদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

২. স্বাস্থ্য ক্যাম্প
তিনি স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করেন, যেখানে ডাক্তাররা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা করেন। এর মাধ্যমে তিনি স্বাস্থ্যসেবার অভাব পূরণে সহায়তা করেন।

৩. খাদ্য বিতরণ
একটি দুর্যোগের সময়, সুমন দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি স্থানীয় দাতাদের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা অনেক মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনে।

৪. মানবাধিকার রক্ষা
সুমন মানবাধিকার সংস্থার সাথে যুক্ত থেকে বিভিন্ন মামলায় নিপীড়িতদের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি আইনগত সহায়তা প্রদান করেন এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করেন।

৫. সচেতনতা কার্যক্রম
তিনি সামাজিক সমস্যা, যেমন নারী নির্যাতন, শিশু শ্রম, এবং পরিবেশ সুরক্ষার উপর সচেতনতা প্রচার করেন। সুমন বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করেন।

৬. বৃদ্ধাশ্রমের সহায়তা
সুমন স্থানীয় বৃদ্ধাশ্রমে নিয়মিত যাতায়াত করতেন এবং সেখানে বৃদ্ধদের জন্য খাবার, পোশাক ও বিনোদনের ব্যবস্থা করতেন। তিনি তাদের সাথে সময় কাটিয়ে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক হন।

৭. দুর্যোগ সহায়তা
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়, সুমন ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ ও বিতরণে নেতৃত্ব দেন। তিনি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতার একটি পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হন।

এই কাজগুলো ব্যারিস্টার সুমনের মানবিক দৃষ্টান্ত এবং সমাজের প্রতি তার দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়, যা তাকে সমাজের একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।

সোব শেষে

ব্যারিস্টার সুমনের জীবন কাহিনি একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প, যা সমাজের উন্নয়ন ও মানবিকতার প্রতি তাঁর অবিচল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তিনি একজন সফল আইনজীবী, সমাজসেবক এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সুমনের জীবন আমাদের শেখায় যে, সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা কখনো বৃথা যায় না।
ব্যারিস্টার সুমনের রাজনীতি একটি উদাহরণ যে, কিভাবে একজন আইনজীবী সমাজের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম সমাজের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, সৎ এবং মানবিক নেতৃত্বই পারে সমাজকে এগিয়ে নিতে। তার রাজনীতির প্রতি আস্থা এবং প্রতিশ্রুতি আজকের প্রজন্মের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করে।

Leave a Comment